• লাইভ টিভি
  • ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • ফিফা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • ফিফা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • লাইফস্টাইল

শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে দেখা দিচ্ছে ‘ভার্চুয়াল অটিজম’

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ডিজিটাল যুগে স্ক্রিন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, টেলিভিশন ও কম্পিউটার এখন শুধু বিনোদন নয়, শিক্ষা ও যোগাযোগেরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এসব ডিভাইসের ব্যবহার দ্রুত বেড়ে চলেছে। তবে প্রযুক্তির এই সহজলভ্যতার পাশাপাশি বাড়ছে একটি গুরুতর উদ্বেগ-অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের উপর এর নেতিবাচক প্রভাব।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু (ডব্লিউএইচও) এবং বিভিন্ন শিশুস্বাস্থ্য সংস্থা এরই মধ্যে সতর্ক করেছে যে, কম বয়সী শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার তাদের সামগ্রিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে ‘ভার্চুয়াল অটিজম’ শব্দটি অনেক আলোচনায় এসেছে। অনেক অভিভাবকই এখন প্রশ্ন করছেন এটি কি সত্যিই কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বীকৃত রোগ? আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে, এটি কি আসলেই অটিজমের একটি রূপ?

বাস্তবতা হলো, বিষয়টি যতটা সহজে উপস্থাপন করা হচ্ছে বা প্রচার করা হচ্ছে, তাসলে বাস্তবে এটি বেশ জটিল। প্রথমেই বলে রাখি ‘ভার্চুয়াল অটিজম’ চিকিৎসা বিজ্ঞানের স্বীকৃত কোনো রোগ বা টার্ম নয়। এমনকি এটি ডিএসএম-৫-টিআর বা আইসিডি-১১-এর মতো আন্তর্জাতিক রোগ নির্ণয় নির্দেশিকায় অন্তর্ভুক্তও নয়। এসলে বিশেষজ্ঞরা এই শব্দটি ব্যবহার করেন এমন শিশুদের বোঝাতে, যারা দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সংস্পর্শে থাকার কারণে কিছু অটিজম-সদৃশ আচরণ প্রদর্শন করে।

যেমন ধরুন, এই শিশুদের মধ্যে দেখা যেতে পারে বাক বিকাশে দেরি, চোখে চোখ রেখে যোগাযোগের অভাব, ডাকে সাড়া কম দেওয়া, সামাজিক মেলামেশায় অনাগ্রহ, একই আচরণ বারবার করা এবং বাস্তব মানুষের চেয়ে স্ক্রিনের প্রতি বেশি আকর্ষণ। এসব লক্ষণ অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডারের সঙ্গে মিল থাকায় অনেক সময় অভিভাবকরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা জরুরি বর্তমান বৈজ্ঞানিক গবেষণা স্ক্রিন টাইমকে অটিজমের কারণ হিসেবে স্বীকৃত দেয়নি।

অটিজম একটি জটিল স্নায়বিক বিকাশজনিত অবস্থা, যা মূলত জেনেটিক ও জৈবিক কারণ দ্বারা নির্ধারিত। শুধু অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে কোনো শিশুর অটিজম তৈরি হয় এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে এর মানে এই নয় যে স্ক্রিন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিরাপদ।

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেক অভিজ্ঞতাকে সীমিত করে দেয়। ছোট শিশুরা ভাষা, আবেগ, সামাজিক আচরণ ও যোগাযোগ দক্ষতা শেখে মূলত সরাসরি মানুষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু যখন এই সময়ের বড় একটি অংশ স্ক্রিনে ব্যয় হয়, তখন তারা সেই শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ফলে কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের মধ্যে বাক বিকাশে দেরি, মনোযোগের ঘাটতি, আবেগ বোঝার দুর্বলতা এবং সামাজিক যোগাযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা অনেক সময় অটিজমের মতো মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এগুলো পরিবেশগত প্রভাবজনিত বিকাশগত বিলম্ব।

এই কারণেই অনেক বিশেষজ্ঞ ‘ভার্চুয়াল অটিজম’ শব্দটির ব্যবহারকে বিভ্রান্তিকর বলে মনে করেন। এটি এমন একটি ধারণা তৈরি করে, যেন শিশুটি অটিজমে আক্রান্ত, যদিও বাস্তবে তার সমস্যাগুলো পরিবর্তনযোগ্য এবং সঠিক হস্তক্ষেপে উন্নতি সম্ভব। তাই ‘অটিজম-সদৃশ আচরণ’ বা ‘স্ক্রিন-সম্পর্কিত বিকাশগত বিলম্ব’ শব্দগুলো ব্যবহার করাই বেশি বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য।

এটি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অটিজম নির্ণয়ের জন্য প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন প্রয়োজন। শুধু কিছু আচরণ দেখে বা স্ক্রিন ব্যবহারের ইতিহাস জেনে অটিজম নির্ণয় করা সঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্রবণ সমস্যা, ভাষাগত বিলম্ব বা পরিবেশগত কারণও একই ধরনের লক্ষণ তৈরি করতে পারে।

অভিভাবকদের জন্য এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রযুক্তি নিজে সমস্যা নয়, বরং এর অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারই আসল ঝুঁকি। অভিভাবকের উপস্থিতিতে সীমিত সময় শিক্ষামূলক কনটেন্ট দেখা এবং শিশুকে একা দীর্ঘ সময় মোবাইল বা ট্যাবলেট দিয়ে রাখা এই দুই পরিস্থিতির মধ্যে পার্থক্য বিশাল। প্রথমটি সহায়ক হতে পারে, কিন্তু দ্বিতীয়টি শিশুর বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

শিশুর সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে হলে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার বিকল্প নেই। খেলাধুলা, গল্প বলা, বই পড়া, ছবি আঁকা, বাইরে সময় কাটানো এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত কথোপকথন এসবই শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা সাধারণত পরামর্শ দেন দুই বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে স্ক্রিন এড়ানো উচিত, এবং বড় শিশুদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখা জরুরি।

‘ভার্চুয়াল অটিজম’ শব্দটি বিশেষভাবে রোমানিয়ার শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মারিয়াস জামফির-এর মাধ্যমে আলোচনায় আসে, যিনি অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে কিছু শিশুদের মধ্যে অটিজম-সদৃশ আচরণ লক্ষ্য করেছিলেন।

আরও পড়ুন

যেভাবে বানাবেন এক কাপ ‘পারফেক্ট’ দুধ চা

স্ন্যাপচ্যাটে এলো নতুন ফিচার, মিলবে যেসব সুবিধা 

বর্তমানে শিশুদের মধ্যে স্ক্রিন ব্যবহার বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘ভার্চুয়াল অটিজম’ শব্দটি যতটা আকর্ষণীয় শোনায়, বাস্তবে এটি ততটাই সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত, যাতে ভুল ধারণা না ছড়ায়। গবেষণা স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার শিশুদের বিকাশগত বিলম্ব এবং সামাজিক যোগাযোগের সমস্যা বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি অটিজম সৃষ্টি করে না।

এখানে একটি বিষয় একেবারে পরিষ্কার প্রযুক্তি যেন শিশুর বিকাশে সহায়ক হয়, তার বিকল্প নয়। অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে, যাতে শিশুরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারসাম্যপূর্ণভাবে এবং বাস্তব মানবিক সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়ে পড়ে।

কে

  • স্ক্রিন
  • রোগ
এ সম্পর্কিত আরও খবর
টাঙ্গাইলে অসুস্থ প্রবাসীকে রাস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে
টাঙ্গাইলে অসুস্থ প্রবাসীকে রাস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে
রোগ প্রতিরোধে শূন্য বয়স থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রোগ প্রতিরোধে শূন্য বয়স থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
যে রোগ ধরা পড়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের
যে রোগ ধরা পড়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের
পটুয়াখালীতে ৫০০ জন রোগীর বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা
পটুয়াখালীতে ৫০০ জন রোগীর বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।